রাজশাহীর তানোর থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন এস এম মাসুদ পারভেজ। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কার্যদিবস দিবাগর রাতে অপরাধ বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আটক ও জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন। এছাড়াও পুলিশের পেট্রল ডিউটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
জানা গেছে, তানোরে যোগদানের পুর্বে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা, পঞ্চগড় সদর থানা ও রাজশাহী স্পেশাল ব্রাঞ্চে অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।এ সময় তিনি মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও পুলিশের মনোবল ফেরাতে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছিলেন। তিনি তার এসব কর্ম দক্ষতার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভুয়সী প্রশংসাও অর্জন করেছিলেন।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত ওসি এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, তানোর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত ও সঠিক পুলিশি সেবা পায় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো পরিচয় নাই তার একটাই পরিচয় সে অপরাধী, তিনি বলেন, ইচ্ছে করলেই পুলিশের একার পক্ষে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা অত্যন্ত কঠিন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সকল অপরাধের মুলে রয়েছে, মাদক এবং মাদক থেকেই প্রায় সকল অপরাধের সুত্রপাত, কাজেই আগে মাদককে কঠোর হাতে করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের আগ্রাশান ঠেকাতে মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রচলনে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে।মাদক-সন্ত্রাস,ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ সমাজবিরোধী সকল কাজের বিরুদ্ধে তিনি জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেন। তিনি পুলিশ সদস্যর উদ্দেশ্যে বলেন, পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু, দুষ্টের (মন্দ) দমন-শিষ্টের (ভাল) পালন নীতি অবলম্বন করে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, অনেক সময় আলোচনা সমালোচনায় পুলিশের নেতিবাচক দিকগুলোই বেশি মুখরোচক হয়ে ওঠে। কিন্তু পুলিশ যে জনগণের বন্ধু,দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই অনেক সময় তা জনগণ ভুলে যান। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সুনাম ও অর্জন দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুলিশ বাহিনীতে রয়েছে জনগণের কল্যাণে দিনরাত কাজ করা হাজারো মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা-সদস্য রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গণমাধ্যম কর্মী,জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন নবাগত এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কার্যদিবস দিবাগর রাতে অপরাধ বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আটক ও জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন। এছাড়াও পুলিশের পেট্রল ডিউটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
জানা গেছে, তানোরে যোগদানের পুর্বে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা, পঞ্চগড় সদর থানা ও রাজশাহী স্পেশাল ব্রাঞ্চে অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।এ সময় তিনি মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও পুলিশের মনোবল ফেরাতে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছিলেন। তিনি তার এসব কর্ম দক্ষতার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভুয়সী প্রশংসাও অর্জন করেছিলেন।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত ওসি এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, তানোর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত ও সঠিক পুলিশি সেবা পায় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো পরিচয় নাই তার একটাই পরিচয় সে অপরাধী, তিনি বলেন, ইচ্ছে করলেই পুলিশের একার পক্ষে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা অত্যন্ত কঠিন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সকল অপরাধের মুলে রয়েছে, মাদক এবং মাদক থেকেই প্রায় সকল অপরাধের সুত্রপাত, কাজেই আগে মাদককে কঠোর হাতে করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের আগ্রাশান ঠেকাতে মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রচলনে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে।মাদক-সন্ত্রাস,ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ সমাজবিরোধী সকল কাজের বিরুদ্ধে তিনি জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেন। তিনি পুলিশ সদস্যর উদ্দেশ্যে বলেন, পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু, দুষ্টের (মন্দ) দমন-শিষ্টের (ভাল) পালন নীতি অবলম্বন করে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, অনেক সময় আলোচনা সমালোচনায় পুলিশের নেতিবাচক দিকগুলোই বেশি মুখরোচক হয়ে ওঠে। কিন্তু পুলিশ যে জনগণের বন্ধু,দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই অনেক সময় তা জনগণ ভুলে যান। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সুনাম ও অর্জন দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুলিশ বাহিনীতে রয়েছে জনগণের কল্যাণে দিনরাত কাজ করা হাজারো মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা-সদস্য রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গণমাধ্যম কর্মী,জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন নবাগত এই পুলিশ কর্মকর্তা।
আলিফ হোসেন